টক দই বানানোর রেসিপি ও টক দইয়ের উপকারিতা,

বিভিন্ন রেসিপিতে আমরা টক দই ব্যবহার করে থাকি। টক দই আপনার রেসিপিকে অত্যন্ত সুস্বাদু করে তোলে। তবে, বাজার থেকে ক্রয়কৃত টক দই স্বাস্থ্য সম্মত নয় বলে অনেকেই রেসিপিতে টক দই ব্যবহার করে না। কিন্তু আমরা চাইলে ঘরে বসেই টক দই বানাতে পারি। তো জেনে নিন টক দই বানানোর সহজ রেসিপি।

টক দই বানানোর উপকরণ

  • ১ লিটার তরল দুধ।
  • তরল দুধ না থাকলে পাউডার দুধ ও পরিমাপ মত পানি।
  • ১ চা চামচ দই।
  • মাটির ভাঁড় / পাত্র
  • মাটির পাত্র না থাকলে অন্য কোন পাত্র। তথাঃ- প্লাস্টিক, কাঁচ ইত্যাদির পাত্র।

টক দই বানানোর প্রস্তুত প্রণালী

  • প্রথমে একটি পাত্রে দুধ গুলোকে চুলায় রেখে কুসুম কুসুম গরম করুন। তারপর আগুন কমিয়ে আরো জ্বাল দিন যাতে করে দুধ গুলো ঘণ হয়ে যায়। তবে, দুধ ফুটাবেন না। ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস গরম করলেই হবে।
  • এবার কুসুম গরম দুধ গুলোকে একটি মাটির পাত্রে রাখুন। মাটির পাত্রে রাখলে অপ্রয়োজনীয় পানি সরে যাবে। তাছাড়াও দই ঠান্ডা থাকবে। তবে, মাটির পাত্র না থাকলে অন্য পাত্রও ব্যবহার করা যাবে। কিন্তু মাটির পাত্র ব্যবহার করাই উত্তম।
  • তারপর মাটির পাত্রে থাকা দুধ গুলোর মধ্যে সামান্য পরিমাণ পুরাতন দই দিতে হবে। জেনে রাখা ভালো যে, পুরাতন দই ছাড়া নতুন দই ভালোভাবে বসে না।
  • এরপর একটি শুষ্ক জায়গায় পাত্রটি রেখে দিন। ফ্রীজে, পানিতে রাখা যাবে না।
  • ৬-৮ ঘন্টা রেখে দিলে অটোমেটিক দই বসে যাবে। গরমকালে আরো কম সময়, শীতকালে আরো বেশি সময়ও লাগতে পারে।
টক দই বানানোর রেসিপি
টক দই বানানোর রেসিপি

টক দইয়ের উপকারিতাঃ-

  1. টক দই আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সহযোগিতা করবে।
  2. হাঁড় ও দাঁতের গঠন ও শক্তি বৃদ্ধি করে।
  3. রক্ত পরিস্কার করে।
  4. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
  5. গ্রীষ্মকালে শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে সহযোগিতা করে।
  6. ওজন কমাতে সাহায্য করে।
  7. টক দইয়ের উপকারী ব্যাকটেরিয়া ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলে এবং শরীরের উপকারী ব্যাকটেরিয়াকে বাড়িয়ে হজম শক্তি বাড়ায়।
  8. মানোসিক প্রশান্তি দিতে সহযোগিতা করে।
  9. টক দইয়ে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম রয়েছে।
  10. পাকস্থলী জ্বালাপোড়া নিয়ন্ত্রণ করে।
  11. পেটের সমস্যা একটি সমাধানও বটে।

আরো পড়ুন

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *